খেলাধুলা

লিভারপুলকে গুঁড়িয়ে এনফিল্ড জয় ম্যানচেস্টার সিটির

নিজেদের মাঠে ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল বেশ ছন্দে ভরা এবং শক্ত রক্ষণাত্মক লড়াইয়ে ঠাসা। তবে দ্বিতীয়ার্ধের ৬২ মিনিটে সরাসরি লাল কার্ড পেয়ে স্বাগতিকদের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার মাঠ ছাড়তেই বদলে যায় ম্যাচের পরিস্থিতি। ১০ জনের দুর্বল সুযোগটি পুরোপুরি কাজে লাগিয়ে ৫৫ মিনিটে মাঠে আসা বদলি উইঙ্গার দুই উইংয়ে তাণ্ডব শুরু করেন।

৬৪ মিনিটে এই উইঙ্গারের দুর্দান্ত সহায়তায় তৈরি হওয়া আক্রমণে প্রথম গোল করে এগিয়ে যায় সফরকারী দল। এর ঠিক তিন মিনিট পর (৬৭ মিনিটে) উইং ধরে অবিশ্বাস্য ড্রিবলিংয়ে বক্সে ঢুকে কোণ ঘেঁষে এক অসাধারণ বাঁকানো শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে ব্যবধান ২-০ করেন সেই বদলি তারকা নিজে। মাত্র ৬ মিনিটের এই জোড়া ধাক্কায় ম্যাচ থেকে পুরোপুরি ছিটকে যায় স্বাগতিক দল।

যখন স্বাগতিক দলের মূল মিডফিল্ডার দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া প্রতিপক্ষকে পেয়ে রুদ্ররূপ ধারণ করেন সফরকারী দলের বদলি উইঙ্গার। মাঠে নেমেই অসাধারণ গতি আর একক নৈপুণ্যে পুরো ম্যাচের চিত্রনাট্য একাই বদলে দেন এই ফরোয়ার্ড।

লাল কার্ড পাওয়ার আগে স্বাগতিকরা মাঝমাঠে বেশ শক্ত অবস্থান তৈরি করেছিল। তবে তাদের খেলোয়াড় মাঠ ছাড়ার পর মধ্যমাঠে বিশাল ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়, যা সফরকারী দলের খেলোয়াড়েরা পুরোপুরি কাজে লাগায়।

সুপার-সাব হিসেবে নামা তরুণ ফরোয়ার্ড মাঠের বাঁ প্রান্তে স্বাগতিকদের রক্ষণভাগকে কার্যত তছনছ করে দেন। তার দুর্দান্ত গতি এবং ড্রিবলিং ১০ জনের প্রতিপক্ষের পক্ষে সামলানো অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।

দুই গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর সফরকারীরা ম্যাচের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেয়। ৭৮ মিনিটে দুই সতীর্থের চমৎকার বোঝাপড়ায় তৃতীয় গোলটি করে স্বাগতিকদের ম্যাচে ফেরার সব আশা শেষ করে দেওয়া হয়।