২০৩১ সাল পর্যন্ত নতুন অধ্যায়ের সূচনা বেলিংহ্যামের
টনি ক্রুস, লুকা মদরিচ এবং দানি কারভাহালের মতো অভিজ্ঞ ও প্রবীণ তারকাদের বিদায়ের পর রিয়াল মাদ্রিদের ড্রেসিংরুমে যে নেতৃত্বের শূন্যতা তৈরি হচ্ছিল, জুড বেলিংহ্যামকে তার প্রধান কান্ডারি হিসেবে দেখছে ম্যানেজমেন্ট। মাত্র অল্প সময়ের মধ্যেই মাঠে নিজের একক প্রাধান্য বিস্তার করে তিনি দলের অনবদ্য স্তম্ভে পরিণত হয়েছেন। রিয়ালের এই মেগা-চুক্তি কেবল তাঁর বর্তমান পারফরম্যান্সেরই পুরস্কার নয়, বরং ভবিষ্যতের লস ব্লাঙ্কোস সাম্রাজ্য গড়ে তোলার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ। মূল চুক্তির মেয়াদ দুই বছর বাড়িয়ে ২০৩১ পর্যন্ত বিস্তৃত করা প্রমাণ করে যে, আগামী দিনের রিয়াল মাদ্রিদ প্রকল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবেন এই তরুণ ইংলিশ সুপারস্টার।
স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক ডিয়ারিও এএস-এর প্রখ্যাত সাংবাদিক হোসে ফেলিক্স দিয়াসের প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
পূর্বের ২০২৯ সালের চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়ে ২০৩১ পর্যন্ত দীর্ঘায়িত করার পেছনে আর্থিক বৃদ্ধি ও নেতৃত্বের দায়বদ্ধতা সমান ভূমিকা রেখেছে। স্প্যানিশ ও ইউরোপীয় ফুটবলে রিয়ালের সাম্প্রতিক প্রভাব ধরে রাখতে বেলিংহ্যামের মতো বহুমুখী প্রতিভার মিডফিল্ডারকে দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখা ছিল ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের মাস্টারস্ট্রোক। আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিপত্রের কাজ সম্পন্ন হলে এই মেগা ডিলটি রিয়াল মাদ্রিদের সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দলবদল চুক্তি হিসেবে গণ্য হবে।
দলে তাঁর অসামান্য অবদান ও ক্রমবর্ধমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে এই চুক্তিতে তাঁর বেতন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি করা হয়েছে। ক্লাব ও খেলোয়াড়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা চূড়ান্ত হলেও আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর ও অফিশিয়াল ঘোষণার কিছু প্রশাসনিক কাজ এখনো বাকি রয়েছে।
